Skip to content

ফিঙে স্টুডিওর উদ্যোগে শিশুদের সৃজনশীল লেখালিখির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ফিঙে স্টুডিওর উদ্যোগে শিশুদের সৃজনশীল লেখালিখির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শিশুদের মধ্যে লেখালিখির আনন্দ তৈরি করা, স্বাধীনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করা এবং নিজেদের কল্পনা ও অনুভূতি সৃজনশীলভাবে প্রকাশের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ফিঙে স্টুডিও শিশুদের সৃজনশীল বিকাশ ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

শিশুদের কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীল লেখার দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে ফিঙে স্টুডিওর আয়োজনে গত ১০ অক্টোবর, শনিবার বিকেল ৩টায় ফিঙে স্টুডিওর সেমিনার কক্ষে একটি ক্রিয়েটিভ রাইটিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন আবু হেনা তিমু ও নাজমা মানবী। তিন ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মশালায় শিশুদের পর্যবেক্ষণক্ষমতা, কল্পনাশক্তি এবং নিজস্ব ভাষায় চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশের বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়। আলোচনায় উঠে আসে গল্পের উপাদান খুঁজে বের করা, চরিত্র নির্মাণ, চরিত্রের ইচ্ছা ও সংকট থেকে গল্প তৈরি, গল্পের কাঠামো নির্মাণ এবং বর্ণনার মাধ্যমে দৃশ্য ও অনুভূতি ফুটিয়ে তোলার বিষয়গুলো। পাশাপাশি, পরিচিত ঘটনা ও সাধারণ বস্তুকে কল্পনার সাহায্যে কীভাবে আকর্ষণীয় গল্পে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়েও শিশুদের ধারণা দেওয়া হয়। কর্মশালার প্রথম দুই ঘণ্টায় প্রশিক্ষণ ও অংশগ্রহণমূলক অনুশীলনের মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীল লেখার প্রাথমিক কৌশল শেখানো হয়। শেষ এক ঘণ্টায় অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের কল্পনা ও অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে স্বতন্ত্রভাবে সৃজনশীল লেখা তৈরি করে। এ পর্বে তারা গল্পের বিষয় নির্বাচন, চরিত্র ও ঘটনা বিন্যাস এবং নিজের ভাবনাকে লিখিত ভাষায় প্রকাশের সুযোগ পায়। কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে রাউফ ইয়াহৃদ (ওয়াকারভিল প্রাইমারি স্কুল, এডিলেড), রুদাবা মারিয়াম রুশাইদা (জুনিয়র ল্যাবরেটরি হাই স্কুল), মারিয়াম বিনতে জাওয়াদ (রিভারি স্কুল), মিনহাজুল আবেদীন (সাফির আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ), ফাইদ বিন এমরান (লাইটহাউস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল), অপরাজিতা আয়শা পুণ্য, তিয়ানা তিতলি ও কাজী সায়মা জাফরিন (নালন্দা উচ্চ বিদ্যালয়)। শিশুদের মধ্যে লেখালিখির আনন্দ তৈরি করা, স্বাধীনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করা এবং নিজেদের কল্পনা ও অনুভূতি সৃজনশীলভাবে প্রকাশের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ফিঙে স্টুডিও শিশুদের সৃজনশীল বিকাশ ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ছবি: Moti Rahman